জামে মসজিদ, দিল্লি।
আসরের
জামাত শেষ হয়েছে। বেলে পাথরের চত্বরজুড়ে সোনাঝরা রোদের পশরা সাজিয়ে বসেছে মোগল শহরের
বিকেল। কমলালেবুর মতো গোলগাল সূর্য দিনমান ছড়াচ্ছে সরষে ফুলের রেণুমাখা রোদ। যেমন আলো,
তেমনই তেজ। আজকের রোদে সূর্য এত উত্তাপ ছড়াচ্ছে, মনে হচ্ছে আকাশ থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ছুটে
আসছে আগুনের তির। এর ভেতর দিয়ে চত্বরের প্রশস্ততা মাড়িয়ে একজন দুজন করে মুসল্লি এগিয়ে
যাচ্ছে দরজার দিকে। যেতে যেতে কেউ কেউ কপালে হাত রেখে ছায়াবারান্দা তৈরি করে রোদের
তীব্রতা আঁচ করার চেষ্টা করছে।
বেশিরভাগ মুসল্লি যাচ্ছে দক্ষিণ দিকে, সর্বসাধারণের দরজায়। এর
ধাপ তেত্রিশটি। সাধারণ লোকজন এ পথে মসজিদে আসা-যাওয়া করে। একদল লোক যাচ্ছে উত্তর দিকে,
অভিজাত শ্রেণির দরজায়। এর ধাপ ঊনচল্লিশটি। নবাব, আমির ও রাজকীয় মেহমানগণ এ দরজা ব্যবহার
করেন। পূর্বদিকে শাহি ফটক- প্রধান দরজা। তাতে তিনতলাবিশিষ্ট অষ্টভুজ আকৃতির নান্দনিক
খিলান। এর ধাপ পঁয়ত্রিশটি। সম্রাট ও রাজপরিবারের সদস্যদের জন্য প্রতি শুক্রবারে খোলা
হয় এ দরজা।
চত্বর মাড়িয়ে দক্ষিণ দরজার সিঁড়িতে এসে দাঁড়ালেন ইমাম বখশ। ত্রিশ
পেরোনো পরিণত যুবক। আপাতত তার পরিচয়- মোগল সাম্রাজ্যের একজন সাধারণ প্রজা। কিন্তু এ
পরিচয় তাকে পরিপূর্ণ করে না, তাই তিনি নিজেকে পরিচয় দেন জামে মসজিদের খাদেম হিসেবে।
সম্রাট শাহজাহানের কালজয়ী কীর্তিগুলোর অন্যতম এ মসজিদ। নির্মাণসৌন্দর্য,
শিল্পকুশলতা ও মুসলিম স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন হিসেবে তাকে চির অমর করে রাখবে। সেই
অমরত্বের সঙ্গে জুড়ে থাকতে চান ইমাম বখশ। হয়তো ইতিহাস তার মতো সাধারণ প্রজাকে মনে রাখবে
না, তবু এটুকু পরিচয় জীবনচলায় তাকে দারুণ উজ্জীবিত করবে।
শাহি ইমাম সাহেব সালাম ফেরানোর পরপর ইমাম বখশ চলে এলেন এখানে।
খরখরে রোদ মাথায় নিয়ে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে রইলেন। তার কাজ মুসল্লিদের মধ্যে যাদের সিঁড়ি ভাঙতে
কষ্ট হয় তাদেরকে ওঠানামায় সহায়তা করা। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় এটা তার নৈতিক
দায়িত্ব। সবসময় একে নিজের ইমানি দায়িত্ব হিসেবে পালন করে যান।
একজন দুজন করে মুসল্লি তাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে। তাদের বেশিরভাগ
মধ্যবয়সী, তার সহায়তা কারও দরকার পড়ছে না। তবু তিনি কর্তব্য পালনের স্পৃহা নিয়ে দাঁড়িয়ে
রইলেন। ভ্যাপসা গরমে পুরো শরীর ঘেমেনেয়ে যাচ্ছে। ইমাম বখশ অনড়। দিল্লির এরকম বিপর্যস্ত
সময়ে এটা খুবই অকল্পনীয় ব্যাপার।
এ অপেক্ষা বাহরাম চাচার জন্য। চাচা মসজিদ থেকে বের হলেন কি না,
তা দেখতে চত্বরের দিকে তাকালেন। তাকে দেখা গেল না। চত্বরের প্রশস্ততা ছাড়িয়ে তার দৃষ্টি
নিবদ্ধ হলো গম্বুজের চূড়ায়। সাদা-কালো মার্বেল পাথরের তিনটি গম্বুজ সূর্যের আলোয় ঝকঝক
করছে। দেখে মনে হচ্ছে সূর্য যেন গলে পড়ছে সেখানে। চত্বরের জল টইটম্বুর চৌবাচ্চায় পড়ছে
এর প্রতিবিম্ব। চারদিকে ঝলমলে আলোর বহুরৈখিক বিচ্ছুরণ। এমন মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্যের উদ্ভাস
ঘটবে বলেই কি সম্রাট শাহজাহান এ মসজিদের নামকরণ করেছেন মসজিদ-ই জাহান-নুমা; জগতের প্রতিবিম্ব
মসজিদ?
ধীরপায়ে হেঁটে আসছেন বাহরাম চাচা। বয়সের ভারে ন্যুব্জ হয়ে গেছেন।
যতটা না বয়সের ভার, এরচেয়ে বেশি দিল্লির বিপর্যস্ত পরিস্থিতি তাকে ভঙ্গুর করে দিয়েছে।
কোহিনুর হীরার মতো চকমকে মোগল শাসনের এখন নিভুনিভু অবস্থা। সম্রাট শাহজাহানের প্রাণের
নগরী শাহজাহানাবাদ, যাকে তিনি শৈল্পিক সুষমার নান্দনিক স্থাপত্য দিয়ে করেছেন জান্নাতোপম;
সম্রাট আওরঙ্গজেব বিজয়ের বিভূতি দিয়ে যার বিস্তৃতিকে করেছেন সমুজ্জ্বল- সেই গৌরব ও
আভিজাত্য হারিয়ে রাজধানী দিল্লি পরিণত হয়েছে বিপর্যয় ও অরাজকতার কেন্দ্রবিন্দুতে।
দিল্লিকে ঘিরে বাইরের আক্রমণ, জাঠ, রোহিলা ও মারাঠাদের লুট-মারের
মুখে প্রতাপান্বিত মোগল সাম্রাজ্য মুখ থুবড়ে পড়েছে। এ সুযোগে সেনাপতি লর্ড লেকের নেতৃত্বে
ব্রিটিশ বাহিনী মারাঠাদের তাড়িয়ে প্রবেশ করেছে দিল্লিতে। সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম তাদের
হাতে ছেড়ে দিয়েছেন শহরের নিরাপত্তাভার আর নিজে হয়ে পড়েছেন তাদের পেনশনভোগী। মোগলদের
নিষ্ক্রিয় শাসন এখন লালকেল্লা আর দুয়েকটা জায়গিরে সীমিত।
এরকম থমথমে পরিস্থিতির মধ্যে বাহরাম চাচা প্রতিদিন বাইরে বের হন।
চাঁদনি চকের ব্যবসায়ী গলির একটি কাটরায় তিনি থাকেন। সেখান থেকে প্রতি ওয়াক্তের নামাজ
এসে পড়েন জামে মসজিদে। তার সাহচর্য আর মুসল্লিদের খেদমতের ব্রত নিয়ে সঙ্গে আসেন ইমাম
বখশ।
চাচাকে দরজার দিকে আসতে দেখে তিনি এগিয়ে গেলেন। হাসি হাসি মুখ
করে বললেন, ‘চাচা, এখনই বের হয়ে এলেন। আরেকটু পরে গেলে হতো না? বাইরে যা রোদ!’
বাহরাম চাচা স্মিতমুখে বললেন, ‘মিয়া, চলো রওনা হওয়া যাক। এই রোদ
কিছু না!’
‘কাটরার দিকে যাবেন, চাচা?’
‘না, রহিমিয়া মাদরাসায় যাব।’
‘সেখানে কেন?’
‘আজকে শাহ সাহেবের তাফসির মজলিস আছে না!’
ইমাম বখশ মনে পড়ার মতো মাথা নাড়লেন, ‘জি চাচা, আজ তো মঙ্গলবার।
আসরের পর রহিমিয়া মাদরাসায় শাহ সাহেবের তাফসির আছে।’
বাহরাম চাচা তাড়া দিলেন, ‘তাহলে চলো মিয়া, যাওয়া যাক!’
‘জি চাচা, চলুন!’
ইমাম বখশের কাঁধে হাত রেখে বাহরাম চাচা সাবধানে সিঁড়ি ভেঙে নিচে
নামলেন।
রাস্তায় এসে কোনো যাত্রীবাহী টাঙা পাওয়া গেল না। ইমাম বখশ অনুসন্ধানী
দৃষ্টিতে এদিকওদিক তাকালেন। উত্তর দরজা থেকে দুটো নবাবি টাঙাকে ছুটে যেতে দেখলেন। সাধারণ
মুসল্লিরা পায়দলে ছুটে চলল নিজ নিজ গন্তব্যে। ইমাম বখশ একা হলে এভাবে চলে যেতেন। কিন্তু
বাহরাম চাচার পক্ষে হেঁটে যাওয়া সম্ভব না। সিঁড়ি ভেঙে নামতে গিয়ে তিনি বেশ হাঁপিয়ে
গেছেন।
ইমাম বখশ একটু এগিয়ে চাঁদনি চকের রাস্তায় টাঙার খোঁজ করলেন। দুয়েকজন
পায়দলে লোক ছাড়া আর কিছু চোখে পড়ল না। অগত্যা ফিরে এলেন। তার চিন্তিত মুখ দেখে বাহরাম
চাচা বললেন, ‘মিয়া, চলো আস্তেধীরে হাঁটতে থাকি!’
ইমাম বখশ উদ্বিগ্ন গলায় বললেন, ‘চাচা, এই রোদে হেঁটে গেলে আপনার
হাঁপানি আরও বেড়ে যাবে! তাছাড়া রাস্তাও মোটামুটি দূরের। চারটা মোড় আর তিনটা গলি পেরিয়ে
যেতে হবে।’
বাহরাম চাচা মুচকি হেসে দাড়িতে হাত বুলালেন। দিল্লির পথঘাট তিনি
বেশ ভালো করে চেনেন। সবই তার হাতের তালুর রেখার মতো মুখস্থ। ইমাম বখশের কথায় স্মিতমুখে
তাড়া দিলেন, ‘চলো মিয়া, আল্লাহ ভরসা!’
সূর্যদীঘল রাজপথে হেঁটে চলছেন তারা। দিল্লির দৃষ্টিনন্দন রাজপথ,
যেখানে প্রতিনিয়ত মোগল সৈন্যদের কুচকাওয়াজ প্রদর্শিত হতো; ব্যস্তসমস্ত গলিঘুচি, যে
জায়গা সবসময় অধিবাসীদের যাপিত দিনের কলধ্বনিতে মুখরিত থাকত- সেখানে এখন লোকজনের আনাগোনা
নেই বললেই চলে; সব কেমন জনশূন্য ও কোলাহলহীন হয়ে আছে।
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিল্লি দখলের পর থেকে চলছে এ অবস্থা।
পাগড়ি-চোগা-চাপকান পরিহিত মোগল সৈন্যদের বদলে এখন শহরে টহল দিচ্ছে প্যান্ট-স্যুট-বুট
পরিহিত ব্রিটিশ সৈন্যরা। তারা মুসলমানের ধর্মপালনে বাধা দিচ্ছে না, কিন্তু শাসনের ছড়ি
নিয়ে নিয়েছে নিজেদের হাতে। একে অশনি সংকেত ভেবে শান্তিপ্রিয় অধিবাসীদের অনেকেই চলে
গেছে আশপাশের পল্লি-নগর এলাকাগুলোতে। যারা আছে, জানমাল সবকিছু আল্লাহর হাতে- এ ভরসায়
আছে।
বাহরাম চাচা এখন স্বাভাবিক, হাঁপানির প্রকোপ আর নেই। সূর্যকে পেছনে
ফেলে তিনি হেঁটে চলছেন দৃঢ় পায়ে। তার হাঁটার ছন্দে ধুলোর রেণুকণা রিনঝিন করে উঠছে।
একেকটি গলিপথ অতিক্রম করছেন আর হৃদয়ের গহিন থেকে বেরিয়ে আসছে অনুভূতির প্রগাঢ় নিঃশ্বাস।
হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ দীপ্ত মুখে গেয়ে উঠলেন-
দিল্লির গলি যেন
চিত্রকরের খাতা
সবকিছু কী দারুণ
সাত রঙে আঁকা!
শুনে ইমাম বখশের চোখেমুখে খুশির দ্যুতি খেলে গেল। হাসিমুখে বললেন, ‘চাচা, এটা তো মির সাহেবের শের বলে মনে হচ্ছে!’
বাহরাম চাচা আনন্দিত গলায় বললেন, ‘ঠিক ধরেছ মিয়া, এটা মির তকি
মির- আমাদের মির সাহেবের শের। এ সময়ের কবিদের মধ্যে যিনি খুদায়ে সুখান- কাব্যেশ্বর।’
ইমাম বখশ স্মিতমুখে মাথা নাড়লেন। বাহরাম চাচার কাছে মির সাহেবের
অনেক গল্প তিনি শুনেছেন। চাচা ছিলেন তার এক সময়ের প্রতিবেশী। দুজনের মধ্যে দারুণ অন্তরঙ্গতা
ছিল। মির সাহেবের মুশায়েরায় তিনি প্রায় সময় শরিক হতেন। নিজে কিছু লেখেননি, কিন্তু শের-শায়েরির
প্রতি তার ছিল হৃদয়ের টান।
চাচা প্রায়ই বলেন, মির সাহেব দিল্লিকে ভালোবেসেছেন প্রেমিকার মতো
করে। সেই ভালোবাসা ছিল শর্তহীন। অসংখ্যবার প্রাণসংশয়, বারবার লুট হওয়া এ শহর ছিল তার
সমস্ত ভালোবাসার পিঠভূমি। ভালোবাসার গোলাপে যে কাঁটা থাকে, তার নাম অবহেলা। পৃষ্ঠপোষকতাহীন
অবহেলার কারণে তেতাল্লিশ বছরের দিল্লিজীবনের ইতি টেনে তাকে চলে যেতে হলো লখনৌ।
মির সাহেবের ব্যক্তিত্ব ও শায়েরির প্রতি বাহরাম চাচার এখনো রয়ে
গেছে সেই মুগ্ধতা ও আকর্ষণ। তার নাম শুনলেই তিনি উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন; হৃদয়ের নহরে
ওঠে গজল-শায়েরির মওজ। দিল্লি তারও প্রাণের শহর। এ শহরের প্রতি তার অদম্য টান ও অনিঃশেষ
ভালোবাসা। মির সাহেব চলে গেছেন, কিন্তু বাহরাম চাচা কোথাও যেতে পারেননি। তিনি মনে করেন
দিল্লির সঙ্গে তার প্রাণের যে বন্ধন, এটা মৃত্যু ছাড়া আর কিছুতেই জুদা হওয়ার মতো নয়।
চাঁদনি চকের যে কাটরায় তিনি থাকেন, এর পুবের ব্যালকনি থেকে জামে
মসজিদ পর্যন্ত পুরোটা রাজপথ চোখে পড়ে। কাটরা, হাভেলি, গলিকুচা ও দোকানপাটে ঘনবসতিপূর্ণ
এ এলাকাটা দিনদিন কেমন জনশূন্য হয়ে যাচ্ছে। বাহরাম চাচা প্রায় সময় সেদিকে উদাস দৃষ্টি
মেলে তাকিয়ে থাকেন। ইমাম বখশ তার কাছে গেলে শুনতে পান, সেই বিরানপ্রায় দিল্লির দিকে
তাকিয়ে তিনি মির সাহেবের এ শেরটি আওড়াচ্ছেন-
দিল আর দিল্লি যদিও হয়েছে নষ্ট
তবু এই উজাড় ঘরে নেই কোনো কষ্ট!
আজ তিনি দিল্লির গলিপথে হাঁটতে হাঁটতে বারবার আবেগমথিত হয়ে পড়ছেন।
হৃদয়ের পুঞ্জীভূত বিষাদ জাগিয়ে তুলছে বেদনার ক্ষতগুলো। দিল্লির বিপর্যস্ত মুখ তিনি
প্রতিদিনই দেখেন। এ মুখ তাকে প্রবল বেদনাহত করলেও এখানের অবস্থান সবসময় পুলকিত করে।
চলতে চলতে তিনি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে গেয়ে উঠলেন মির সাহেবের ভারাক্রান্ত মনের এ শেরটি-
প্রাণের জাহানাবাদ হলো আজ বরবাদ
এইখানে পদে পদে ছিল ঘরের আবাদ!
বাহরাম চাচার পাশাপাশি হাঁটতে গিয়ে এ বিষাদ ছুঁয়ে যাচ্ছে ইমাম
বখশকেও। সূর্যকে পেছনে ফেলে প্রলম্বিত ছায়ার দিকে তাকিয়ে হেঁটে চলছেন তারা। বাহরাম
চাচা একের পর এক মির সাহেবের শের আওড়াচ্ছেন আর ইমাম বখশ মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনে চলছেন।
তখন যদি তারা পেছনে ফিরে তাকাতেন, তাহলে দেখতে পেতেন- তাদের বিষাদের স্বেদবিন্দুগুলো
বাষ্প হয়ে উড়ে যাচ্ছে প্রদীপ্ত সূর্যের দিকে আর এর থেকে ঠিকরে বেরোচ্ছে দ্রোহের স্ফুলিঙ্গ।
২য় পর্ব পড়তে >> ক্লিক করুন
.jpg)
0 মন্তব্যসমূহ
প্রিয় সুহৃদ,
এখানে আপনার মতামত জানাতে পারেন।
এখানকার মন্তব্য প্রাথমিক অবস্থায় সার্ভারে অদৃশ্যভাবে জমা থাকবে। অ্যাডমিন প্যানেল থেকে অনুমোদন দেওয়ার পর তা দৃশ্যমান হবে।
ধন্যবাদান্তে,
তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ, ‘ৎ’ (খণ্ড-ত)